নাসির উদ্দিন আহমদ

সিমলা ঘুরে দেখার পরিকল্পনা মনের মাঝে ছিলো আগে থেকেই। সিমলা-কুলু-মানালি নাম শুনেছি সেই ছোট বেলায়।মেঘের দেশ সিমলা আর মানালি। এখন অবশ্য অফ সীজন। পর্যটকদের ভিড় কিছুটা কম।
সিমলায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে শূণ্যের কাছাকাছি আর মানালিতে চলছে মাইনাস সাত। পাহাড়ী শৈত্য উপভোগের মোক্ষম মওসুম এটা। বরফ পড়ছে কোথাও কোথাও। সাহসে কুলাচ্ছে না স্ত্রী-কন্যার। এত ঠান্ডা সহ্য করা যাবে তো? দিল্লী থেকেই সেরে নিলাম শীতের সাথে লড়াই করার প্রস্ততি—মোটা জ্যাকেট, কানটুপী, হাত মোজা। এগুলো লাগবেই। এগুলো ছাড়া ডিসেম্বরে সিমলা মানালির দিকে রওয়ানা দেয়ার কথা কেউ চিন্তায় ও আনবেন না। আমাদের প্রস্ত্ততির পালা সাঙ্গ। এবার যাত্রা শুরু। সঙ্গে থাকবে চারদিনের জন্য সার্বক্ষণিক এক ট্যাক্সি। একরাত সিমলা দুই রাত মানালির হোটেল বুকিং দেয়া হয়েছে আগেভাগেই।

রাজধানী দিল্লীকে ঘিরে আছে হরিয়ানা আর পাঞ্জাব রাজ্য। দিল্লী থেকে আগ্রা কিংবা আজমীরের দিকে যেতে পাড়ি দিতে হয় প্রথমেই হরিয়ানা। আজ যখন সিমলায় যাচ্ছি শুরুতেই সেই হরিয়ানা। হরিয়ানার সাথে আমার বেশ সখ্যতা গড়ে উঠেছে। মেডান্টা হাসপাতালে অনেকবার এসেছি—বন্ধুর ছেলেকে দেখতে।বিখ্যাত বিশাল এই হাসপাতালটি হরিয়ানায়। দিল্লী থেকে সবচেয়ে বেশী আসা-যাওয়া হয়েছে এই রাজ্যটিতেই।
হরিয়ানা ছেড়ে আমরা ঢুকে পড়লাম পান্জাবের পথে। আম্বালা ক্যান্টনম্যান্ট, রেল স্টেশন শেষ হতেই শুরু হলো পান্জাব। পুরো হরিয়ানা জুড়েই অবশ্য পাঞ্জাব নাম। রাজপথের দুপাশে পান্জাবী ধাবা আর তাডকা। ধাবা হলো ছোট সব রেঁস্তোরা। খাবারের আয়োজন পথে পথে। আর সমস্ত পথ জুড়েই চোখে পড়বে সাজানো কমলার দোকান। টাটকা কমলার জুস তৈরী হচ্ছে এসব পথের পাশের খোলা ভ্রাম্যমাণ সব দোকানে। এসব দোকান তো শত শত চোখে পড়বে এখানে পথজুড়ে।কেউ কেউ গাড়ি থামিয়ে পান করছে কমলার জুস।

হরিয়ানা আর পান্জাব। এই দুটো রাজ্যের রাজধানী চন্ডিগড়। আমরা সেই চন্ডিগড় পাশ কাটিয়ে ঢুকে যাব হিমাচল প্রদেশে। চন্ডিগড় নগরে না ঢুকলেও বাইপাস দিয়ে যখন যাচ্ছি তখন যেন চন্ডিগড়ের ঘ্রাণ পাচ্ছিলাম।
চন্ডিগড় থেকেই পাহাড় উঁকি ঝুঁকি দিতে শুরু করলো। ঘন সবুজ বৃক্ষ-গুল্মে ছেয়ে আছে পাহাড়।বাবলা ফুল ফুটে আছে, ফুটে আছে পথের পাশে কড়ই ফুল। বাঁদর লাঠি গাছ সেজে আছে ফুলে ফুলে। পাদদেশে বাড়িঘর।

চন্ডিগড় থেকে কিছুদূর যেতেই শুরু হলো সুন্দর পীচ-ঢালাই চার লেইনের পাহাড়ি রাস্তা। মাঝখানে ডিভাইডার। ভূমিধ্বস প্রতিরোধের জন্য রাস্তা ঘেঁষে বিশাল উঁচু ধাপে ধাপে উঠে-যাওয়া পাঁচিল। এই পাঁচিলগুলো রাস্তার সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকগুন।
পাঁচিলগুলোর মাঝে মাঝেই ছিদ্র। পাহাড়ী ঢলের পানি যাতে একসাথে চাপ প্রয়োগ না করে সেজন্যই এ ব্যবস্থা হয়তো। হিমাচল প্রদেশের টোল পয়েন্ট পাহাড়ের পাদদেশে। কিছু টাকা টোল দিয়ে যেন আমাদের গাড়ি ঢুকে যাচ্ছে বড় বড় সব পাহাড়ের মাঝে। দুপুর হয়ে এসেছে। রোদ নেই। মেঘলা আকাশ। ক্ষুধা এসে জানান দিচ্ছে—খেতে হবে। পথে পথে পাহাড়ের পাদদেশে হোটেল রেঁস্তোরা দল-বল নিয়ে সেজেগুঁজে দাঁড়িয়ে আছে। পাহাড়ের উপর এক ভালো রেঁস্তোরার সামনে গাড়ি থামলো। এতক্ষণ গাড়ির ভিতর যে উষ্ণ আতিথেয়তার মাঝে ছিলাম হঠাৎ গাড়ি থেকে নেমে পড়ায় তা যেন ভেঙে গেলো। তীব্র শৈত্য বাতাস এসে অভ্যর্থনা জানালো। একেবারে হাড়ের ভিতর যেন ঢুকে গেলো ঠান্ডা বাতাস।

পৃথিবীর সব দেশের পাহাড়ী রাস্তা যেন একই রকম। ভয়ংকর সুন্দর। আঁকা বাঁকা উঁচু নিচু। মনে হয় যেন অতিকায় এক বিশাল অজগর এঁকে বেঁকে যাচ্ছে। এক পাশে পাহাড় গার্ড অব অনার দিয়ে দাঁডিয়ে আছে আর এক দিকে তাকালে মনে হয় গহীন গিরিখাত—মৃত্যুর হাতছানি। ও-দিকে তাকালেই ভয় আর আতঙ্ক এসে বুক জাপটে ধরে। সুন্দর তবে বাস্তবে ভীষণ ভয়ংকর।নেপালের পথে পথে দেখেছি হিমালয়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়ানো সর্পিলাকার রাস্তা। শিলিগুড়ি থেকে মিরিখ হয়ে চলে গেছি দার্জিলিং। রুয়ান্ডায় পথ চলেছি। কঙ্গোর এক সীমান্ত শহর গুমা থেকে যখন রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালী যাচ্ছিলাম তখনও সৌন্দর্য মেখে নিয়েছি দুই চোখে, মনে। উগান্ডায়-কেনিয়ায় দেখেছি অনেক উঁচু পাহাড়ী রাস্তা। বান্দরবান-খাগড়াছড়ি-রাঙামাটির পথে চলেছি অনেকবার। সব যেন একই চরিত্রের। তবে সৌন্দর্যে হেরফের তো আছেই। সবচেয়ে সুন্দর লেগেছে দার্জিলিং এর পথ—সেখানকার বাড়তি সৌন্দর্য বর্ধন করছিলো রমণীয় চা-বাগান। এরপরে নিশ্চয়ই বলব কিগালী যেতে যে পাহাড়ী পথ দেখেছিলাম তার কথা। এরপর কুলু থেকে মানালির পথ। তবে দার্জিলিং এর পর সবচেয়ে ভয়ংকর মনে হয়েছে মান্ডি থেকে কুলুর কিছু সময়ের পাহাড়ির পথ। এখানে সিমলার পথে উঁচু সব পাহাড় । ঝাউ বন। অচেনা গাছ। আমার দেখা সব পাহাড়ী রাস্তার মাঝে সিমলায় গাড়ি চলাচল মনে হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। এরপর কেনিয়ার পাহাড়ী রাস্তা। সবচেয়ে কম যান চলাচল করতে দেখেছি বাংলাদেশের পাহাড়ী সড়কে। মাঝে মাঝেই জনবসতি। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে দর-দালান। পথেই পড়বে কালকা আর সোলন শহর। রাস্তার উপর বাজার। শপিং সেন্টারও চোখে পড়বে। আর নজরে আসবে শত শত হোটেল, রেঁস্তোরা। বাড়িঘর গুলো একেবারে পাক্কা। আমার দেখা পাহাড়ী রাস্তাগুলোর মাঝে সবচেয়ে ধনাঢ্য মনে হয়েছে সিমলার এই পাহাড়ী এলাকা। বলতে দ্বিধা নেই সবচেয়ে হতদরিদ্র অবশ্যই কঙ্গোর পাহাড়ী রাস্তার পাশের জনপদ। অবশ্য কঙ্গোর রাস্তাই তো পাক্কা ছিলো না—ছিলো কাঁচা মাটির রাস্তা—যেখানে বৃষ্টিতে অনেক সময় ট্রাক-লরী কাঁদায় ফেঁসে গিয়ে সৃষ্টি করতো বিশাল যানজট।
সিমলা-সুন্দরপুর-বিলাসপুর-মান্ডি-কুলু-মানালি কোথাও চোখে পড়েনি একটি টিনের ঘর—কাঁচা বাড়ি তো দূরের কথা। কঙ্গোয় পাহাড়ের মাঝে কোথাও চোখে পড়েনি একটি পাক্কা বাড়ি। বাংলাদেশে পাহাড়ি এলাকায় আছে বেশীর ভাগ টিনের ঘর। পাক্কা বাড়ি আছে খুব কম আর মাটির কিছু ঘর এখনো নজরে আসে আমাদের হিলে।

সিমলা একসময় ছিলো বৃটিশ ভারতের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী। ১৮৬৪ সালে বৃটিশরা এই শহরকে রাজধানীর আসনে বসায়। তার আগে এই এলাকাটি ছিলো মূলত ঘন জঙ্গল পরিবেষ্টিত। জাকু পাহাড়ের মন্দির ঘিরে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের বসতি ছিলো এখানে। একটি ঐতিহাসিক বর্ণনায় পাওয়া যায় ১৮৩০ সালে মাত্র ত্রিশটি ঘর ছিলো সিমলায়। তখন বৃটিশ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা এখানে আসতেন ছুটিকালীন অবকাশ যাপনের জন্য। পরে এলাকা ঘিরে গড়ে ওঠে বেশ কিছু বাংলো। ধীরে ধীরে বৃটিশদের পদচারণা বৃদ্ধির পাশাপাশি আশপাশের সেবাদানকারী মানুষের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে জনসংখ্যা। বৃটিশরা অবকাশ যাপনের এই জায়গাটিকে ধীরে ধীরে গড়ে তোলে রাজধানী রূপে।
এখন লক্ষ লক্ষ মানুষের নিবাস এই সিমলা। প্রতিবছর লক্ষ মানুষ আসে পর্যটক হিসেবে। দূষণে দুষ্ট হয়ে গেছে পাহাড়ের জনপদ। মানুষের কর্মকান্ড প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমিকে বিষিয়ে তুলছে ক্রমাগত। সব সময় আবহাওয়া জানান দিচ্ছে—Very poor air quality. এত বেশী গাড়ি রাস্তায় চললে দূষণ তো হবেই। এই অফ সিজনেও গাড়ির বহর নজরে পড়ার মতো।

সন্ধ্যার আগেই পৌঁছে গেলাম সিমলায়। পাহাড়ের কোলে হোটেল। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ঝরছে। কনকনে ঠান্ডা। ডবল জ্যাকেট আর কানটুপি পরে গাড়ি থেকে নামলাম। রুম একেবারে কোনায়। রুমের ভিতরের তাপমাত্রা দেয়া হলো ছাব্বিশ ডিগ্রী সেলসিয়াস। রুমের ভিতর বেশ আরামপ্রদ। পুরো পাহাড়ের দৃশ্য ভেসে ওঠে রুমের পর্দা টেনে দিলে। যে দিকে পাহাড় সেদিকে কাঁচের দেয়াল। কাঁচ ভেঙে গেলেই কিন্ত পড়ে যাব পাহাড়ের নিচে। ভয়ংকর ব্যাপার। কিন্ত এমন কাঁচের দেয়াল দেয়ায় অবশ্য সিমলার সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে চমৎকার। আমরা রুমে ঢুকতেই পর্দা সরিয়ে দিলাম আর আমাদের স্বাগত জানাতে কাঁচের ওপারে লাফিয়ে এলো এক হনুমান। মা হনুমানকে অনুসরন করলো একটি বাচ্চা-হনুমান। বাচ্চাটি আনন্দে কয়েকটি ডিগবাজি খেলো। তারপর চলে গেলো দুজনেই। হোটেলের পূর্ব দিকে পাহাড়ের গা ঘেঁষে একটি অচেনা গাছ। সেখানে দেখি অনেক হনুমানের মেলা। এখানে পথে পথে হনুমান আর বানরের দেখা মিলবে।
সন্ধ্যার বাতি জ্বলে উঠেছে পাহাড়ি এই জনপদে। হাজার হাজার ইমারত মিলে-মিশে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়ে। ছবি তুললে দূরের বিল্ডিংগুলো মনে হয় দেয়াশলাই বক্সের মতো। অনেক সুন্দর লাগছে সন্ধ্যার সিমলা। আমরা বেরিয়ে পড়ব এখনই শহরের দর্শনীয় স্থান দেখার জন্য। উদ্দেশ্য মাল রোড।

মাল রোডের পুরো এলাকা জুড়েই মার্কেট। পাকা রাস্তার দুপাশেই শপিং প্লেস। গরম কাপড় চোপড় জুতো স্যান্ডেলের দোকান। আছে কুলু-কাশ্মীরের শাল, চাদর। আছে খাবারের দোকান। আছে কাঁচা বাজার। ফলের দোকান। মানুষ চরম শৈত্য উপেক্ষা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেনাকাটা করছে। ঘুরে ফিরে দেখছে সিমলার এই বিখ্যাত জায়গাটি। এখান থেকে মোটামুটি সিমলা শহরের পুরোটা নজরে আসে।দুটো লিফটে করে উঠতে হয় পাহাড়ের ওপরে। একটি লিফট কয়েক তলায় উঠার পর বদল করতে হয় লিফট। আরেক লিফটে করে পরের স্তর। লিফটে টিকেট লাগে। অবশ্য আরেক রাস্তা দিয়ে পায়ে হেঁটেও উঠা যায় মাল রোডে। নিচে গাড়ির জন্য পঁচিশ তলার বিশাল পার্কিং। এখানে একটি মন্দিরও আছে। কেউ কেউ সেখানেও যাচ্ছে। মানুষজনের বসার জন্য আয়েশী কেদারা পাতা আছে পথ জুড়েই। এখানেই এক রেঁস্তোরায় রাতের খাবার খেয়ে নিলাম—কাশ্মিরী বিরিয়ানি। পারিবারিক এক রেঁস্তোরা। এক দম্পতি তাদের একমাত্র সন্তান সাথে নিয়ে গড়ে তুলেছে এটি। খাবার নিজেরাই তৈরী করে পরিবেশন করছে খদ্দেরদের।

সিমলা চুক্তির জন্য বিখ্যাত এই স্থান। ১৯৭২ সালে ইন্দিরা গান্ধি আর জুলফিকার আলী ভুট্টোর মাঝে সম্পাদিত হয় এই চুক্তি। হোটেলের মালিক ভদ্রলোক মিলিটারী হিস্ট্রির উপর দক্ষ। তাঁর বইগুলো সাজিয়ে রেখেছে রেঁস্তোরায়। আমাকে বইগুলো দেখাচ্ছে। ইতিহাসের প্রতি আমার খানিক আগ্রহ দেখে তিনিও যেন বলতে মজা পাচ্ছিলেন। কিন্ত আরো খরিদ্দার আসাতে আর আমাদের তাড়া থাকাতে কথা আর বাড়াতে পারলাম না। তবু তাঁর কাছ থেকে জানতে চাইলাম কোথায় হয়েছিলো সেই ঐতিহাসিক চুক্তি। তিনি জানালেন গভর্ণর হাউজ। উনি বললেন—তবে ওটা এখন তো বন্ধ—সেখানে তুমি যেতে পারবে না।
বাইরে মানুষের চলাচল কমে এসেছে। ঠান্ডাও আরো জেঁকে বসতে শুরু করেছে। আমরা হোটেলে এসে পড়লাম। পরের দিনের জন্য শক্তি সংগ্রহ করার নিমিত্তে আগে ভাগেই নিদ্রার কোলে ঢলে পড়লাম।

ভোর নেমে এসেছে সিমলার পাহাড়ে পাহাড়ে। ঘরে বারান্দায় রাস্তায় যে সব রঙ-বে-রঙের বাতি জ্বলছিলো সেগুলো এক এক করে নিভতে শুরু করেছে। তেমন কুয়াশা নেই। পাহাড়ী বাড়ি ঘর মোটামুটি পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। দূরে কুয়াশা আটকে আছে পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে—মনে হচ্ছে বুঝি বরফের গালিচা বিছানো। এখন তাপমাত্রা তিন ডিগ্রী সেলসিয়াস। তবে দূরে পাহাড় চূড়ায় নিশ্চয় শূণ্য স্পর্শ করেছে তাপমাত্রা।পাহাড়ের নীচে উপরে সর্বত্রই দালান কোঠা। মূল সড়ক থেকে নেমে গেছে গলির রাস্তা একেবারে নিচে এঁকে বেঁকে। আবার উঠে গেছে গলি উঁচু পাহাড়ে। বাড়িগুলো চার পাঁচ তলা। ছাদ করুগেটেড টিনের । ছাদের টিন লাল সবুজ বিভিন্ন উজ্জ্বল রঙের। পাহাড় জুড়েই বৃক্ষ। আজ সুর্যের মুখ দেখার সম্ভাবনা কম। ধারাবাহিক…

নাসির উদ্দিন আহমদ: কবি ও প্রাবন্ধিক। পেশায় চিকিৎসক। সামরিক বাহিনীর চিকিৎসা বিভাগে দায়িত্বরত। প্রকাশিত গ্রন্থ ৪টি।

১টি মন্তব্য

  1. সবই মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। খুবই ভালো লাগলো। মনে হলো লেখকের সাথেই ছিলাম। বর্ণানাটি অতি চমৎকার।

মন্তব্য করুন

এখানে মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন